Back to News
ত্রিশাল সামরিক প্রশিক্ষণ এলাকা, ময়মনসিংহে বাংলাদেশ অলিম্পিক এসোসিয়েশন এবং বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর যৌথ উদ্যোগে নির্মিতব্য 'বাংলাদেশ অলিম্পিক কমপ্লেক্স' এর ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন

ত্রিশাল সামরিক প্রশিক্ষণ এলাকা, ময়মনসিংহে বাংলাদেশ অলিম্পিক এসোসিয়েশন এবং বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর যৌথ উদ্যোগে নির্মিতব্য 'বাংলাদেশ অলিম্পিক কমপ্লেক্স' এর ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন

01 Feb 2026

অদ্য ০১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ তারিখ সকাল ১১:৩০ ঘটিকায় ত্রিশাল সামরিক প্রশিক্ষণ এলাকা, ময়মনসিংহে বাংলাদেশ অলিম্পিক এসোসিয়েশন এবং বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর যৌথ উদ্যোগে নির্মিতব্য 'বাংলাদেশ অলিম্পিক কমপ্লেক্স' এর ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করা হয়। উক্ত অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ অলিম্পিক এসোসিয়েশনের সম্মানিত সভাপতি এবং বাংলাদেশ সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান, এসবিপি, ওএসপি, এসজিপি, পিএসসি এবং বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের সচিব জনাব মোঃ মাহবুব-উল-আলম।


পবিত্র কোরআন তেলোয়াতের মাধ্যমে অনুষ্ঠান শুরু হয়। প্রকল্প পরিচালক প্রস্তাবিত 'বাংলাদেশ অলিম্পিক কমপ্লেক্স' এর নকশার উপর একটি সচিত্র প্রতিবেদন উপস্থাপন করেন। এরপর বাংলাদেশ অলিম্পিক এসোসিয়েশনের মহাসচিব তাঁর স্বাগত বক্তব্য প্রদান করেন। তিনি অলিম্পিক কমপ্লেক্স এর স্বপ্ন ধারণ এবং বাস্তবায়নের জন্য সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামানকে ধন্যবাদ জানান এবং সংশ্লিষ্ট সকলের পূর্ণ সহযোগিতা কামনা করেন। এরপর অনুষ্ঠানের বিশেষ অতিথি যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের সম্মানিত সচিব তাঁর বক্তব্য বলেন যে, আশি-নব্বই দশকের পরে বাংলাদেশে তেমন কোন ক্রীড়া স্থাপনা তৈরি হয় নাই বিধায় অলিম্পিকসহ অন্যান্য বড় প্রতিযোগিতায় আমাদের ফলাফল আশাব্যঞ্জক নয়। তিনি অলিম্পিক কমপ্লেক্স নির্মানের জন্য সেনাবাহিনীর জমি প্রদান করার বিষয়টিকে স্বাগত জানান এবং এর বাস্তবায়নের লক্ষ্যে যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয় হতে সকল প্রকার আর্থিক এবং প্রশাসনিক সহযোগিতা প্রদান করার প্রতিশ্রুতি দেন।


অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি বাংলাদেশ অলিম্পিক এসোসিয়েশনের সম্মানিত সভাপতি এবং বাংলাদেশ সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান তাঁর বক্তৃতায় আজকের এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত হওয়ার জন্য সকলকে ধন্যবাদ জানান। তিনি আবারো একসাথে কাজ করার মাধ্যমে ক্রীড়াক্ষেত্রে যুব সমাজকে সম্পৃক্ত করার আহ্বান জানান। তিনি অর্থ সংস্থানের নিমিত্তে যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের প্রতিশ্রুতিকে সাধুবাদ জানান। সবশেষে, সকলের উপস্থিতিতে তিনি 'বাংলাদেশ অলিম্পিক কমপ্লেক্স' এর ভিত্তিপ্রস্তরের উন্মোচন করেন।


এই অনুষ্ঠান শেষে দুপুর ২:০০ ঘটিকায় বাংলাদেশ অলিম্পিক এসোসিয়েশনের ০১/২০২৬ নং কার্যনির্বাহী কমিটির সভা অনুষ্ঠিত হয়। যার উল্লেখযোগ্য সিদ্ধান্তসমূহ নিম্নরুপ:


১। আন্তর্জাতিক মাল্টিস্পোর্টস গেমসের প্রশিক্ষণ এবং আয়োজনের যাবতীয় আর্থিক বিষয়সমূহ সুষ্ঠুভাবে সম্পাদনের জন্য বিওএ'র নিজস্ব তহবিল হতে পৃথক একটি ব্যাংক একাউন্ট খোলার সিদ্ধান্ত হয়। এই একাউন্ট হতে গেমসের জন্য যাবতীয় অর্থ সংকুলান করা হবে যা পরবর্তীতে মন্ত্রণালয় হতে অর্থ প্রাপ্তি সাপেক্ষে সমন্বয় করা হবে।


২। ৬ষ্ঠ এশিয়ান বীচ গেমসের উপস্থাপিত বাজেট অনুমোদিত হয়।


৩। ২৩তম কমনওয়েলথ গেমসে বাংলাদেশ হতে ০৫ টি ডিসিপ্লিনে (যথা: এ্যাথলেটিক্স, বক্সিং, জিমন্যাস্টিক্স, সুইমিং এবং ভারোত্তোলন) দল প্রেরণের সিদ্ধান্ত গৃহীত হয় এবং দলের প্রশিক্ষণ এবং অংশগ্রহণ উপস্থাপিত বাজেটটি অনুমোদিত হয়।




৪। ২০তম এশিয়ান গেমসে অংশগ্রহণ উপলক্ষ্যে বাংলাদেশ হতে নিম্নোক্ত ২৬ টি ডিসিপ্লিনে সর্বমোট ২০২ জন খেলোয়াড় প্রেরণের সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।

সুইমিং আরচ্যারী এ্যাথলেটিকস ব্যাডমিন্টন বাস্কেটবল বক্সিং ক্রিকেট

সাইক্লিং ফেন্সিং ফুটবল গলফ জিমন্যাষ্টিকস বীচ হ্যান্ডবল হকি

জুডো কাবাডি কারাতে রাগবি শ্যূটিং সার্ফিং টেবিল টেনিস

তায়কোয়ানডো বীচ ভলিবল ভারোত্তোলন রেসলিং উশু


৫। এখন হতে আন্তর্জাতিক মাল্টিস্পোটর্স গেমসসমূহ (অলিম্পিক গেমস, এশিয়ান গেমস, কমনওয়েলথ গেমস, ইসলামিক সলিডারিটি গেমস এবং সাউথ এশিয়ান গেমস) এবং জাতীয় গেমস (বাংলাদেশ গেমস এবং বাংলাদেশ যুব গেমস) এর প্রশিক্ষণ, অংশগ্রহণ এবং আয়োজন সংক্রান্ত যাবতীয় কার্যক্রম বিওএ কর্তৃক সম্পাদিত হবে।


৬। ৬ষ্ঠ এশিয়ান বীচ গেমসে বাংলাদেশ দলের 'শেফ দ্য মিশন' হিসেবে জনাব মোঃ আব্দুস সালাম, সহ-সভাপতি, বিওএ কে মনোনীত করা হয়েছে।


ধন্যবাদান্তে,



ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব:) এ বি এম শেফাউল কবীর

এসজিপি, এনডিসি, এএফডব্লিউসি, পিএসসি

মহাপরিচালক